অটিজম সচেতনতা দিবস
| |

অনুচ্ছেদঃ অটিজম সচেতনতা দিবস

আজকের পোস্টে আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুচ্ছেদ শেয়ার করব “অটিজম সচেতনতা দিবস“। এই অনুচ্ছেদটি আশা করি তোমাদের পরীক্ষায় কমন আসবে। আমরা এই অনুচ্ছেদটি যত সম্ভব সহজ রাখার চেষ্টা করেছি – তোমাদের পড়তে সুবিধা হবে। চলো শুরু করা যাক।

অটিজম সচেতনতা দিবস

অটিজম হচ্ছে এক ধরনের স্নায়বিক সমস্যা, যাতে মানুষের মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। এ সমস্যায় আক্রান্ত শিশু কথা। বলতে বা বুঝতে, নতুন জিনিস শিখতে এবং সমাজে চলতে সমস্যার সম্মুখীন হয়। অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের বলা হয় অটিস্টিক শিশু। এ ধরনের শিশুদের মস্তিষ্কে এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা থাকে, যার ফলে শিশু কেবল নিজের মধ্যেই আচ্ছন্ন থাকে। ফলে অন্যদের সাথে তার যোগাযোগ, সামাজিকতা, কথা বলা, আচরণ ও শেখার প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয় । মানসিক সীমাবদ্ধতা ও একই কাজ বারবার করার প্রবণতা, অতি চাঞ্চল্য, খিঁচুনি, অহেতুক ভয় পাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ থেকে এ ধরনের শিশুদের শনাক্ত করা যায়। এর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনো পরিষ্কার ধারণা দিতে পারেননি। তবে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক ধরনের বিশৃঙ্খলার কারণে এমনটি হতে পারে বলে অনুমান করা যায়। অনেকের মতে, বংশগতি সম্বন্ধীয় বা পরিবেশগত কারণেও এ সমস্যা হতে পারে। অটিস্টিক শিশুদের মাঝেও রয়েছে অনেক সম্ভাবনা । কিন্তু এই সমস্যাটিকে অনেকে রোগ মনে করে তাদের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করেন। এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২রা এপ্রিল সারা বিশ্বে ‘বিশ্ব অটিজম দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। প্রকৃতপক্ষে অটিজম কোনো মানসিক রোগ বা মানসিক প্রতিবন্ধকতা নয়। চিকিৎসা করালে আক্রান্তরা ভালো হয়। তবে এ থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠা বেশ কঠিন। অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের সমাজের মূলধারায় স্থান করে দেওয়ার দায়িত্ব সমাজের সবার। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতিশীল ও উদার হতে হবে। ধৈর্যের সাথে তাদের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা নিশ্চিত করা গেলে অটিজমে আক্রান্ত শিশুরা সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

See also  ভাবসম্প্রসারণঃ শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড

সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করছি আমাদের এই পোস্ট থেকে অনুচ্ছেদ যেটি তুমি চাচ্ছিলে সেটি পেয়ে গিয়েছ। যদি তুমি আমাদেরকে কোন কিছু জানতে চাও বা এই অনুচ্ছেদ নিয়ে যদি তোমার কোনো মতামত থাকে, তাহলে সেটি আমাদের কমেন্টে জানাতে পারো। আজকের পোস্টে এই পর্যন্তই, তুমি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আমাদের বাকি পোস্ট গুলো দেখতে পারো।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *